নবজাতকের শ্রবণ পরীক্ষা
নবজাতকের সুস্থ বিকাশে শ্রবণশক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জন্মের পরপরই শিশুর শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করানো হলে ভবিষ্যতে শ্রবণ ও ভাষাগত সমস্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। Digital Hearing Solution রংপুরে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞ অডিওলজিস্ট দ্বারা Newborn Hearing Screening সেবা প্রদান করে।
আমরা OAE (Otoacoustic Emissions) ও AABR (Automated Auditory Brainstem Response) প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ ও দ্রুত শ্রবণ পরীক্ষা করি। এই পরীক্ষা সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত, নিরাপদ এবং মাত্র কয়েক মিনিটেই সম্পন্ন হয়। জন্মের পর ১ মাসের মধ্যেই এই স্ক্রিনিং করানো সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
যদি কোনো ধরনের শ্রবণ সমস্যা শনাক্ত হয়, আমরা পরবর্তী পরামর্শ, পূর্ণাঙ্গ অডিওলজিকাল পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে শ্রবণ যন্ত্র বা থেরাপির সুপারিশ দিয়ে থাকি। সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ শিশুর মানসিক, সামাজিক ও ভাষাগত বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
👉 যোগাযোগ করুন:
📞 01788020699
🌐 www.digitalhearingsolution.com
ঢাকা অফিস : ৭৭/১, আনারকলি সুপার মার্কেট, ৪র্থ তলা, সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা-১২১৭
রংপুর অফিস : পুবালী ব্যাংক ধাপ শাখার বিপরীতে, ধাপ ৮-তলা মসজিদের পশ্চিম পাশে, ধাপ, জেল রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
নীলফামারী অফিস : আধুনিক সদর হাসপাতাল রোড, এআর জেনারেল হাসপাতালের নিকটবর্তী, নীলফামারী

নবজাতকের শ্রবণ পরীক্ষার বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা
✅ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- নিরাপদ ও অযন্ত্রণামূলক পরীক্ষা
- আধুনিক অটোঅ্যাকুস্টিক ও ব্রেইনস্টেম প্রযুক্তি
- দ্রুত ফলাফল ও বিশ্লেষণ
- প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরিচালিত
- প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও পরবর্তী পদক্ষেপ নির্দেশনা
🎯 উপকারিতা:
- শিশুর শ্রবণ সমস্যার প্রাথমিক শনাক্তকরণ
- দ্রুত চিকিৎসা বা হিয়ারিং সাপোর্ট গ্রহণের সুযোগ
- ভাষা ও মানসিক বিকাশে সহায়তা
- ভবিষ্যতের জটিলতা রোধে কার্যকর
- অভিভাবকের মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত
Frequently Asked Questions
নবজাতকের হিয়ারিং স্ক্রিনিং কি বয়সে করা উচিত?
নবজাতকের হিয়ারিং স্ক্রিনিং জন্মের পর ১ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা উচিত। এই সময়ের মধ্যে পরীক্ষাটি করলে শিশুর শ্রবণ সমস্যাগুলো দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয়, যা পরবর্তী ভাষাগত ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদি কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্ক্রিনিং সম্ভব না হয়, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব একজন বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে পরীক্ষা করানো উচিত। Digital Hearing Solution-এ আমরা সময়মতো এবং নিরাপদভাবে নবজাতকের শ্রবণ স্ক্রিনিং নিশ্চিত করি।
এই পরীক্ষাটি কি শিশুর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ?
হ্যাঁ, Newborn Hearing Screening একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ব্যথামুক্ত পরীক্ষা। এই টেস্টে OAE (Otoacoustic Emissions) এবং AABR (Automated Auditory Brainstem Response) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা নবজাতকের কানের ভেতরের সাড়া এবং শ্রবণ স্নায়ুর কার্যকারিতা পরিমাপ করে। এতে কোনো ধরণের ইনজেকশন, কাটা-ছেঁড়া বা ব্যথার প্রয়োজন হয় না। শিশুকে ঘুমন্ত অবস্থায় বা শান্তভাবে থাকার সময় এই টেস্ট সহজেই করা যায় এবং এতে তার স্বাস্থ্যের কোনো ঝুঁকি থাকে না। Digital Hearing Solution-এ আমরা অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষিত অডিওলজিস্ট দ্বারা এই স্ক্রিনিং পরিচালনা করি, যাতে আপনার শিশুর শ্রবণ স্বাস্থ্য নিশ্চিতভাবে মূল্যায়ন করা যায়।
হিয়ারিং স্ক্রিনিং করতে কত সময় লাগে?
নবজাতকের হিয়ারিং স্ক্রিনিং একটি দ্রুত ও কার্যকর পরীক্ষা, যা সাধারণত ৫ থেকে ১৫ মিনিট সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয়। শিশুর অবস্থা শান্ত ও ঘুমন্ত থাকলে স্ক্রিনিং আরও দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্নভাবে সম্পন্ন করা যায়। Digital Hearing Solution-এ আমরা উন্নত প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান দ্বারা স্ক্রিনিং পরিচালনা করি, যাতে শিশুর কোনো ধরনের অস্বস্তি না হয় এবং নির্ভুল ফলাফল পাওয়া যায়।
পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা পড়লে পরবর্তী করণীয় কী?
যদি নবজাতকের হিয়ারিং স্ক্রিনিং পরীক্ষায় কোনো শ্রবণ সমস্যা ধরা পড়ে, তবে আমরা আপনাকে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে বিস্তারিত পরামর্শ প্রদান করি। প্রথমে, একটি পূর্ণাঙ্গ অডিওলজিক্যাল পরীক্ষা করা হবে, যা শিশুর শ্রবণ সমস্যার ধরন এবং মাত্রা সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে সহায়ক। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে, শিশুর জন্য শ্রবণ যন্ত্র (Hearing Aid) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে অথবা থেরাপি ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হবে। আমরা আপনার শিশুর শ্রবণ উন্নতির জন্য যথাযথ এবং সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করি।
এই স্ক্রিনিং কি একবারই যথেষ্ট, নাকি পরে আবার করতে হবে?
নবজাতকের হিয়ারিং স্ক্রিনিং সাধারণত জন্মের পর একবার করা হয়, যা শিশুর শ্রবণ সমস্যাগুলোর প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। তবে, যদি পরীক্ষার সময় কোনো সমস্যা শনাক্ত না হয়, তারপরেও পরবর্তী সময়ে যদি শিশুর শ্রবণ সংক্রান্ত কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায়, যেমন শব্দের প্রতি প্রতিক্রিয়া না জানানো বা কথা বলা ও শুনতে সমস্যা দেখা দিলে, তখন পরবর্তী স্ক্রিনিং বা আরও বিস্তারিত পরীক্ষা করানো প্রয়োজন হতে পারে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নজরদারি রাখলে শিশুর শ্রবণ সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব।







